Sunday, May 18, 2014

মিষ্টি সুর

মিষ্টি সুরে গান গায়,
সবাই মিলে গান গায়-
এদিক ওদিক তাকিয়ে মিলেমিশে
খেলতে যাবে সবারই অন্তর মুছে যাবে রিতন্দ্রনা।

লা-লা-লা লাল লা লা লাল লা
দিনে একেবারেই শুধু
যেতে হয়ে ব্যাংকে;
কদিন তো কোথাও দেখিনি কাউকে
সবাই তখন ছিল না এই দেশে-
সবাই গেল ইতালীতে
এই দেশেতে আর কেউ নেই
গেল কোতিতে?

দিন কেউ তে যাবে না
সবাই মিলে আাসবে না
কেউ কেউ রয়েই যাবে ইতালীতে-
আর কেউ কেউ ওখান থেকে
বাসা না চিনে
যেতে পারে হারিয়ে ....।

যাবে আমার কথা শুনিবে
কেউ তো আসিবে,
কারো মধ্যে আমি আসি
আমি যাব কোথায়?
যাব কোথায় বল না
না বললে কেমন কয়?

যাবে কেমনে কেমনে যাবে না
আমার দেশে থাকবে না-
থাকবে না কেউ আসতে পারে
খাকবে না কেউ আসতে পারে।

আমার কাছে আমার গাছে
কেউ আসতে পারবে না;
কেউ বুঝি আমার সাথে
গাছে উঠতে পারে না।

Thursday, April 24, 2014

গাজর ঘষা

একদিন মসুরী বড়ুয়া জাঙ্গিলামেদকে বলে, "তুমি গাজর কুচে কুচে করিচ্চ করবে।" করিচ্চ-এর অর্থ তুলবে। কিন্তু সে করিচ্চ করল না। সে করিচ্চ করল না কেন জান? জাঙ্গিলামেদ ভাবল, যে বাগান থেকে আমাকে গাজর তুলতে বলেছে, সে বাগানটি তো ছিল আমারই বাগান। কিন্তু কেবল একটি গাজর হয়েছে। এখন থেকে তো পানি দেয়া শুরু কেবল। এ গাছ থেকে এখন গাজর পাড়লে গাছটি তো নাড়ু হয়ে যাবে, কেবল মাত্র একটা মাত্র গাজর হয়েছে। আমি বরং আর দশবার পানি দেই, তাহলেই পাঁচটি গাজর হবে। তখন একটি গাজর তোলা যাবে। তখন আর গাছটি নাড়ু হবে না। তখন সে তিনবার পানি দিল এবং আরো দুই বার পানি দিল। তারপর দশবার পানি দেয়া হয়ে গেল। দুই দিন পর পাঁচটি গাজর ধরল। যখন গাজর হয়েছে তখন কয়টা বাজছিল জান? সকাল ৯টা ২০ মিনিটে গাজরটি হল। গাজর হওয়ার পর একটি গাজর ঝুড়িতে করে মসুরী বড়ুয়াকে দিল, এই যে গাজর পেড়েছি। মসুরী বড়ুয়া বলল, এবার এ গাজরটি ধুয়ে ঘষে সালাদের মত করে বিট লবণ দিয়ে মাখিয়ে একটু এক গ্লাস শরবত ও এক গ্লাস পানি একটি ট্রেতে করে খাবার রেডি করে রাখ। মকিম আহমেদ আসছে। এ কাজটি করার পর তুমি মাল্টা কোটার জন্য মিহমিতাকে বল মাল্টা কুটে দিতে। তখন (জাঙ্গিলামেদ) বলল, আগে তো সেই কাজগুলো তো করি। তখন জাঙ্গিলামেদ গাজরটি ঘষল। ঘষে বিট লবণ দিয়ে মাখালো। মাখিয়ে এক বোতল/এক গ্লাস শরবত যোগাড় করল ও এক গ্লাসে পানি ভরে একটি ট্রেতে করে রাখল। রেখে একটি থালাতে মাল্টা রাখল। রেখে মসুরী বড়ুয়াকে বলল, এই নাও নাস্তা যোগাড় করেছি। মসুরী বড়ুয়া বলল, এবার সামনের রুমে গিয়ে একটি বড় টুলে সেটি রাখ। রেখে সোফার কাছে দাও। দিয়ে তোমার মেয়েকে বলবে জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকতে। মকিম আহমেদ আসলেই মেয়েকে বলতে বলবে যে, এসেছে। তখনই তুমি গিয়ে দরজা খুলবে আর মকিম আহমেদ এসে পড়বে। তখনই মকিম আহমেদের সাথে কথা বলে নাস্তা খেতে দেবে। তখন জাঙ্গিলামেদ বড় টুলটা সোফার কাছে এনে সেখানে ট্রেটি রাখল এবং রেখে নাস্তা-টাস্তা সেই ট্রের উপরে রাখল। রেখে তার মেয়ের নাম ছিল মিনা- মিনাকে গিয়ে বলল জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকতে। সে জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখল মকিম আহমেদ আসছে। বলল, বাবা, বাবা, মকিম আহমেদ আসছে। তক্ষণি মিনার বাবা গিয়ে দরজা খুলল। মকিম আহমেদ এসে পড়ল। মকিম আহমেদের সাথে কথা বলল। কথা বলে নাস্তা খেতে দিল। আর মকিম আহমেদের সাথে তার মেয়েও আসল। তার মেয়ে মাল্টা পছন্দ করত। সেই মেয়েটির নাম ছিল গোলাপী। গোলাপী মাল্টা খেল। মকিম আহমেদ ঘষা গাজর খেল। ঘষা গাজর খেয়ে গোলাপী চকলেট খেল। তার বাসায় চকো চকো নিয়ে গেল।

Wednesday, March 19, 2014

তোমাদের চিঠি

রবি অর্থ সূর্য
সূর্য ওঠে আকাশে।
তোমাদের কি জামা-কাপড় আছে?
যাদের জামা-কাপড় আছে, তারা সেই জামা-কাপড় নিয়ে বেড়াতে গেছে।
আমার একটি বেগুন গাছ আছে, তোমরা তা জানতে চাইলে পেয়ে যাবে এ খবরটি তাশিমে।
তোমারে বলেছিলাম এই চিঠিটি দিতে।
যাবে শ্বশুর বিয়ে বাড়িতে।
পোলাউ রোস্ট খাবে জানেবে।

Saturday, March 8, 2014

আমার গান

আষাঢ় মাসের কথা
আমি জানি না-
আমি বলিতে পারব না।
তোমাকে জানাইতে পারব না।

আষাঢ়ের দিনের কথা তো শুধু
একটাই জানি।
আষাঢ় মাসে যে বৃষ্টি হয়
সেটাই শুধু জানি।

আর তো কিছুই জানি না আমি
তোমারে তো বলার কথা কিছু নাই।
তোমাকে এ কথাটি বলে দিলাম journey-তে।

লোকে কয় তোমারে কথা দিতে
তবু আমি তোমার কথা শুধু চায় আমি জানি।
লাল লা- লাল লা- লাল লা- লা- লা- লা-

তোমার সাথে তে
বাস করিতে মন লাগে
জাতিতে জীবনের আশা।

আমি চাই শুধু আল্লাহকে
আল্লাহ মোদের মাবুদ হবে।

Friday, March 7, 2014

ইংরেজি বর্ণমালা (উচ্চারণসহ) - English Alphabets (With Pronunciation)

A B C D E F G H I J K L M N O P Q R S T U V W X Y Z
উচ্চারণঃ
এ বি সি ডি ই এফ জি এইচ আই যে কে এল এম এন ও পি কিউ আর এস টি ইউ ভি ডব্লিউ এক্স ওয়াই যেড

Thursday, March 6, 2014

রিতার খেলা দেখানো

রিতা একদিন খেলা দেখালো। রিতার খেলা দেখতে অনেক লোক গেল। অনেক লোক দেখে বলল, "আহা! এই খেলা তো আমরা পারি। দাও তো দেখি আমি একটু খেলি গো রিতা।" "ওরে বাবা! এই খেলা তুমি পারবে? এই খেলা তো লুকোচুরি নয়, তুমি যা ভেবেছ তা নয়। একজন পালাবে আর একজন খুজতে গিয়ে ডিংডংডং করবে আর সে পালাবার থেকে আরেক জায়গায় গিয়ে লুকাবে। সেই খেলায় আংগুর থাকতে হবে। আরেক জায়গায় লুকিয়ে যাবার পরই আংগুর নিয়ে এসে বলবে, চোর ধরা পড়েছে, যাও তো চোরডারে ধরে পিটাও। তখনই আংগুর দেখে পালাবার সময় দৌড় দিয়ে আংগুর খেতে আসবে। এই খেলা তোমরা কি লুকোচুরি খেলা মনে কর? এটা লুকোচুরি খেলা নয়, তবে লুকোচুরির মতই আরেকটি খেলা।"

Tuesday, March 4, 2014

আমার কথা - About Me

আমার নাম নুহা। আমার মায়ের নাম রাজিয়া। বাবার নাম রিয়াদ। দাদুর নাম সুফিয়া। দাদার নাম ফজলুর রহমান। মামার নাম শাকিরুল। শাকিরুলের বাড়ি নাটোরে। নাটোরে আমার মামাবাড়ি। আমরা জানি, শিউলি ফুলে খুব সুন্দর ঘ্রাণ ও জানি শিউলি ফুল দিয়ে মালা বানিয়ে গলায় দেওয়া যায়। আমাদের সবারই হরেক রকম নাম আছে। আমার স্কুলের নাম উদয়ন। আমার ক্লাস কেজি। কেজিতে তিন ঘন্টা পড়তে হয়। আমাদের সুন্দর সুন্দর জামা আছে। 

মানুষের নাম - Names of People

মেয়েদেরনাম

হালিমা,সানিমা,নাফিজা,সুরমা


ছেলেদেরনাম

প্রতিভ,আফনান,লতিফ,সাকিব


বিড়ালছানা

আমার একটি বিড়াল আছে। বিড়ালটির নাম মালা। বিড়ালটি মাংস খায়। বিড়ালটি ইদুর শিকার করে। বিড়ালটি দৌড়াতে পারে। বিড়ালছানাটির রং হলুদ। বিড়ালটি খুব সুন্দর। বিড়ালের গলায় ঘন্টা। ঘন্টা বাজে ডিংডং, ডিংডংডং, ডিংডংডং এভাবে ঘন্টা বাজে। বিড়ালটি খুব ভাল। চেহারা সুন্দর। আমার বিড়ালটি বিড়ালের বাচ্চা। বিড়ালের বাচ্চাটি শুধু মিউমিউ করে। আমার বিড়ালটি মিউমিউ করে গোশত চায়।